আপনি জানেন কি মেগাপিক্সেল কিভাবে হয়? প্রিন্টিং সাইজ কিভাবে বুঝবেন?

ফটো জিজ্ঞাসা:

আপনি জানেন কি মেগাপিক্সেল কিভাবে হয়? প্রিন্টিং সাইজ কিভাবে বুঝবেন?

মনে রাখবেন, এই পিক্সেল হচ্ছে একেকটা সিরামিকের টাইলসের মতন চারকোন ছোট ছোট বক্স। এক মেগাপিক্সেল মানে ১০,০০,০০০ (১০ লাখ) পিক্সেল মতন দেখবেন। ১ মেগাপিক্সেল কি করে বুঝবেন, ক্যামেরার গায়ে লেখা থাকে ১ মেগা। তাছাড়া ধরেন, আপনার ক্যামেরা ১০ মেগাপিক্সেল কেন ১০ মেগাপিক্সেল এটা জানতে তখন আপনি ক্যামেরা সেটিংস এ গিয়ে দেখবেন ফাইলের সবোর্চ্চ সাইজ ৫০০০*২০০০=১,০০,০০,০০০= ১০ মেগাপিক্সেল পেয়ে যাবেন। আমি এই গণনাতে ল্যান্ডস্কেপকে ডিফল্ট করেছি । সবোচ্চ সাইজ হতে পারে পাশাপাশি (ওয়াইডথ) কিংবা খাড়াখাড়ি (হাইথ)। ল্যান্ডস্কেপ ছবির ক্ষেত্রে ওয়াইডথকে সর্বোচ্চ করা হয়, পোট্রোট ছবির ক্ষেত্রে হাইথকে সর্বোচ্চ করা হয়। সুতরাং ১০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা দিয়ে দিয়ে যদি আপনি যত বড় প্রিন্ট করতে চান আপনাকে পিক্সেল রেজুলেশান বাড়াতে হবে যেমন আপনার সর্বোচ্চ ৫০০০ পিক্সেলকে ৩০০ ডিপিআই দিয়ে ভাগ করলে = ১৬ ইঞ্চি পরিমান সর্বোচ্চ ছবি সাইজ প্রিন্ট করতে পারবেন। কেউ যদি আপনাকে বলে ১৬ ইঞ্চি সাইজ দিতে হবে তখন আপনি ৫০০০ পিক্সেল ১৬ ইঞ্চি দিয়ে ভাগ করে দিবেন পেয়ে যাবেন ৩০০ ডিপিআই। ডিপিআই দিয়ে আপনি ছবির প্রিন্টিং সাইজ ঠিক করতে পারবেন।

Advertisements

ফটোগ্রাফারর্স রিয়ালিটি : হিডেন ট্রুথ টু বি এ ফটোগ্রাফার ইন এ ফার্স্ট ওয়ান ইয়ার

১. ফটোগ্রাফি শেখার প্রথম মাস – নিজের পোষা কুকুর,মাছ, ফুল, কাক মডেল। তাদের একইরকম শ’খানেক ফটো তোলা। ডিজিটাল ক্যামেরা নিয়ে দুঃখ করা।

২. ফটোগ্রাফি শেখার দ্বিতীয় মাস – নিজের ঘরের মানুষের পোট্রেট, নিজের গ্রামের বাড়ীর ল্যান্ডস্কেপ, সাগর, নদী ইত্যাদি।

৩. ফটোগ্রাফি শেখার তৃতীয় মাস – বিভিন্ন গ্রুপে জয়েন করা। অতঃপর সব ফটো নিয়ে মহা উৎসাহে ছবি প্রদশর্নীতে এই সব ছবি দেওয়া, সুযোগ না পেয়ে হতাশ হয়ে ক’দিনের জন্যে ফটোগ্রাফি থেকে বিরত।

৪. ফটোগ্রাফি শেখার চতুর্থ মাস – এসএলআর জন্যে ব্যাপক পরিকল্পনা করা। সিনিয়র ভাইবোনদের কাছ থেকে টিপস্ নেওয়া।

৫. ফটোগ্রাফি শেখার পঞ্চম মাস – ফটো সাফারীতে গিয়ে অন্যদের হাতে এসএলআর দেখে আশাহত হয়ে ছবি তুলতে লজ্জা পাওয়া।

৬. ফটোগ্রাফি শেখার ষষ্ঠ মাস – ব্যাপক ক্যামেরার ব্যাপারে লম্পঝম্প, হাজার প্রশ্ন নিয়ে সেরা ক্যামেরা খুঁজতে চলা ।

৭. ফটোগ্রাফি শেখার সপ্তম মাস – নিজের প্রিয়জনের কাছ থেকে এসএলআর উপহার পেয়ে সেটি নিয়ে রোজ রাতে ঘুমাতে যাওয়া ঘুরন্ত ফ্যান, চলন্ত টিভি, বন্ধু-বান্ধবীর ফটো তোলা।

৮. ফটোগ্রাফি শেখার অষ্টম মাস – চেনা – অচেনা প্রতিটি অনুষ্ঠানে গ্রুপ ফটো তোলা ।

৯. ফটোগ্রাফি শেখার নবম মাস – প্রাইম লেন্স, ফ্লাশ এগুলোর উপর ব্যাপক গবেষনা, কি করে ঝাপসা ব্যাকগ্রাউন্ড তোলা যায়। ফটোশপে কাজ শেখার চেষ্টা।

১০. ফটোগ্রাফি শেখার দশম মাস – প্রাইম লেন্স কিনে ইনডোর শুট শুরু করে দেওয়া। কনসেপ্টুয়াল ফটোগ্রাফির প্রেমে পড়া।

১১. ফটোগ্রাফি শেখার এগারো মাস – লুকিয়ে লুকিয়ে পোট্রেট তুলতে ভালো লাগে তাই ক্যানডিড ফটো তুলা তাই দ্যুম করে টেলিলেন্স কিনে ফেলা।

১২. ফটোগ্রাফি শেখার বার মাস – একবছর হয়ে গেল এত অর্থ, এত সময় নষ্ট হয়ে গেল এবার বিয়ের খেপ না পেলে নয়, মিশন ফর ওয়েডিং ফটোগ্রাফি।

২৫ই মার্চ, ২০১৩