A story of a mother & her unborn bricks

Image

Last year December in winter season I was walking around the place named Dhamrai, Dhaka District, Bangladesh. This is place is 50 kilometer far away from  capital city. Due to narrow road you need 2 hours to reach this place by road. We were five friends visited there for photography purpose. This place is popular for sweets. I was looking for some sweets to eat at evening time. I was roaming around here there. I was observing local people activities, their lifestyle.  All villagers were very much curious about us. They asked me, “Why are you taking photography? Are you journalist?  Where do you live in?”. So many questions they have asked me. I enjoyed answering them. I liked their simple behavior. They were maintaining simple living.  Most of them were farmer,  some labor and shop keepers.

I was walking through a village, I forgot the name that village. A narrow road was inside the village. Beautiful mastard fields were besides that village. I was taking photographs of mastard flowers.

On the way,  I found there a brick field. I entered and many workers were busy. I was seeking for the permission from supervisor. Because that place was restricted. I had explaned my photography purpose. They allowed me for just 1 hour. I was roaming around here there. I walked the whole area. But I was not satisfied. Beacause there was any point of interest in photographs. I was thinking about texture of bricks. I was looking for  some stories for making these bricks. I was observing every workers. They were doing lot of tasks. But I was not see anything different, I tried from many angle. I did not like diagonal photography but I also tried to do something diagonally. But that was not much impressive. I was so dissappointed. I sat down a empty land and planning for new ideas. I was looking around the area.

Sudden, I found a middle age woman working in side the brick field. Lot of raw materials for making bricks were here there. She was working a corner side.I went to her. She was very shy woman. All villagers womem were shy. At first she did not talk to me. I was requesting her twice for a photo. First time I was a bit hopeless and I tried again. Also,  I had decided to change my subject as another option. She allowed me suddenly. But she did not allow me to take her face. I was a bit confused, what can I do. I was thinking a new stroy. A process of brainstorming was started inside mine. I started walking around here there I tried to something different.

I found something different story. I gave the name of this story is “A story of a mother & her unborn bricks”. A mother always cares for her babies with soft touches. I saw there she touches softly her unborn bricks with mud. Two pots are full of loves which are called muds. Water is hope, soil is love all together make a special thing. This mud will make brick more strong. A mother is spreading her strength to her unborn baby. This strength will make better future. And strongest bricks will make strongest home. Every mother makes a strong basement for her every baby. All mothers always thinks about her baby’s future. She always tries to make it brighter. A mother always cares of her unborn baby. She always touches her baby with her full of blessing hand and wishes for baby’s bright future. A mother builds a family. She is growing up every piece of hopes with care. Each bricks is her hope. She is building a dream for future. All bricks together will make a home of strength.  This is a complete story of a mother & her unborn bricks.

Advertisements

একটি ক্যাপশন কিন্তু একটি ছবির পরিচয়

ক্যাপশন একটা ছবিকে নামকরন করে। যেমন: একটা মানুষের নাম রহিম, করিম হয়ে থাকে। কোটি কোটি মানুষের ভিতর আপনি কাউকে যদি বলে আমি মানুষের বাসায় যেতে চাই । সে বিভ্রান্ত হয়ে যাবে।

একটি ছবির গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, একটি ক্যাপশন যা হতে পারে একটি শব্দ অথবা অধিক সম্বলিত শব্দ নাম ও ছবির পরিচয় । যা প্রতিটি ছবির নিজস্বতা ও স্বকীয়তা সৃষ্টি করে । যেমন: ধরেন, সম্প্রতি হয়ে যাওয়া ড্রিম বেয়ন্ড ইমাজিনেশন প্রদশর্নীতে ২০০ জনের মতন ফটোগ্রাফারের ছবি ছিল। আয়োজক কর্তৃক এই ছবিগুলো সংগ্রহ করতে ফটোগ্রাফারকে জানানো হয়েছিল ক্যাপশন এবং ছবির ক্যাটাগরী। যার ফলে একজন ফটোগ্রাফার সহজে বুঝতে পেরেছেন কোন ছবিটির কথা বলা হয়েছে।

আমার ল্যান্ডস্কেপ তুলতে ভালো লাগে। পাহাড় আমার প্রিয় বিষয়। আমাকে যদি বলে কেউ ভাই আপনার পাহাড়ের ছবিটা কোথায় তোলা তখন আমি নিজেই বিভ্রান্ত হয়ে যাই কোন ছবিটির কথা বলা হচ্ছে। কেননা, রাঙামাটি, বান্দরবন, সিলেট এসব জায়গার পাহাড়ের ছবি আমি তুলেছি। তাছাড়া আমরা যারা ফটো সাবমিট করি পরবর্তীতে আমাদের পক্ষে কোন ছবিগুলো সাবমিট করা হয়েছে সেগুলো মনে রাখা দুস্কর হয়ে গেছে। তাই ক্যাপশন এই ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ক্যাপশন একটি ছবির পরিচয় বহন করে।

সহজ শব্দ দিয়ে ক্যাপশন দিতে পারেন। ইংরেজী কিংবা বাংলা যে কোন ভাষাতে ক্যাপশন দিতে পারেন। আন্তজার্তিক ভাষা হিসেবে ইংরেজী সব জায়গাতে গ্রহনযোগ্য তাই বিদেশীদের কাছে বোধগম্য করতে আপনার এই ছবিতে ইংরেজী ভাষায় ক্যাপশন দিলে ভালো হয়। বাংলা ভাষায় যে ক্যাপশন দেওয়া যাবে না এমন কোন নিয়ম কানুন নেই। খুব যে কঠিন ভাষায়, মনের মাধুরী মিশিয়ে দিতে হবে তাও কিন্তু নয়, সহজবোধ্য ভাষায় ছবির মূল বক্তব্যের সাথে মিল রেখে দিবেন। একটা উদাহরণ দিয়ে বলতে পারি, ক্যাপশন হতে পারে আপনি খুব ভোরের সূর্য উঠার ছবি তুললেন, সেটির ক্যাপশন দিতে পারেন, “কোন একদিন সূর্যোদয়ের ভোরে”।

তবে একটা কথা সবসময় মনে রাখবেন ক্যাপশন হিসেবে তাচ্ছিল্য কিংবা হেয় ভাষা, অনাকাঙ্খিত শব্দ, উস্কানীমূলক শব্দের ব্যবহার, ক্যামেরার নাম ও মডেল নম্বর দিয়ে ক্যাপশন আপনার ছবি হাস্যরসের পাত্র হতে পারে, যা আপনার একটা সুন্দর ছবির মূল্য কমিয়ে দিতে পারে। যা একজন দর্শকের জন্যে বিরুক্তির কারন হয়ে দাঁড়াতে পারে।

একটা সুন্দর ক্যাপশনের কারনে দর্শকের কাছে যেকোন সাধারন ছবিও আরো বেশী অসাধারন ও আকষর্নীয় হয়ে উঠবে।

Shutter Mates

প্রথম ম্যাগাজিনের কাজ শুরু করেছিলাম ১৯৯৩ এর দিকে তখন আমি স্কুলে পড়তাম। আমাদের স্কুলের একটা বার্ষিক পত্রিকা বের হত। সেই পত্রিকার দেখভাল দায়িত্বে ছিলেন আমার প্রিয় শিক্ষিকা নাজমা আপা। আমি প্রথম যখন কবিতা লিখে জমা দেওয়া শুরু করলাম তখন থেকে আমার ঘাড়ে কাজ এসে পড়লো লেখা সংগ্রহ ও বাছাই করা। যখন পুরোপুরি দায়িত্ব পেলাম তখন আমি অন্ধকার দেখেছিলাম। পরে আমি সামলে নিয়ে ছিলাম।

এরপর কলেজ ম্যাগাজিন, ইউনিভার্সিটির ম্যাগাজিন, দেয়াল পত্রিকাতে কাজ করে ফেললাম। তারপর কর্মবিরতি । তারপর চাকরীর হেপা সামলানো, লেখালেখি একদম কমে গেল। ফটোগ্রাফির নেশাটা বেড়ে গেল, লেখালেখি একদম তলদেশে গিয়ে হিমসিম খাচ্ছিল। ৩৬৫ দিন কিছু না কিছু লেখার অভ্যাস হুট করে মাথা চাড়া দিয়ে উঠল।

ফটোগ্রাফিকে নিয়ে অনেক দূরে যাওয়ার ভাবনাটা ভেবে ফেললাম। ফটোবন্ধুদের লেখা নিয়ে বের করে ফেললাম ফটোগ্রাফি বিষয়ক মাসিক পত্রিকা “শাটারমেটস” । এই লিংক থেকে আপনারা ইচ্ছে করলে ডাউনলোড করে পড়তে পারেন: http://docs.google.com/file/d/0B8aH8-vYxH3BS0lXdXFIUVdjTXM/edit?…