বাইতুল মোকারম মসজিদ

আমি খুব একটা ভোরবেলাতে উঠি না। কিন্তু খুব অস্বাভাবিকভাবে আজ খুব ভোরে উঠে পড়লাম। গতকাল বিকালে ফটোগ্রাফার আকরাম ভাইয়ের সাথে ফেবুতে গল্প হচ্ছিল। হঠাৎ আকরাম ভাই প্রস্তাব দিলেন চলেন কাল সকালে ছবি তুলতে যাই। আমি কিছুটা দ্বিধায় ছিলাম যাব কিনা, কারন সেই ভোরবেলাতে ঘুম ভাঙ্গবে কিনা সেটার কথা ভেবে।

যথারীতি আকরাম ভাই ভোর ৫.৩০ এ আমাকে ঘুম ভাঙ্গালেন আর বললেন,

Image

“অয়ন চলো ছবি তুলতে যাই। আমিও রাজী হয়ে গেলাম”। বাড়ীর আশপাশ দারুন সব জায়গা ঘোরাঘোরি হয়ে গেল।

একটা সময় ধুমসে বৃষ্টি আমাদেরকে বাড়ী ফেরত পাঠালো্।

সবার জন্যে একটা ছবি তুলে আনলাম।

Advertisements

Prime 50 Photo Exhibition 2013

Image

শেষ হলো পোভ ফটোগ্রাফিক গ্রুপের প্রথম ফটোগ্রাফি প্রদশর্নী “প্রাইম ফিফটি”। দারুন ছিল আয়োজন। আয়োজকদের কারোর কোন চেষ্টার ক্রুটি ছিল না। আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে আমাদের গুরুজন ফটোগ্রাফার হাসান চন্দন স্যারকে সম্মানিত করে প্রদশর্নীর সাথে সম্পৃত্ত করা। যা আমি কোন প্রদশর্নীতে দেখি নি। আমি অনেক গ্রুপের প্রদশর্নী দেখেছি কিন্তু এইরকমভাবে গুরুজন ফটোগ্রাফারদের কখনো ডাকা হয় না এবং কাউকে সন্মান জানানো হয় না। এই রকম অনেক গুরুজন ফটোগ্রাফার আছেন যারা অভিমান করে লোকচক্ষুর আড়ালে থাকেন, যারা একসময়কার দারুন সব ছবি দিয়ে মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখতেন এখন যারা বয়সের ভারে পুরানো ছবি নিয়ে স্মৃতিচারন করেন। তাদের মুখে ছবির পিছনের গল্প শুনে আমাদেরকেও সামনে এগিয়ে যাওয়ার কথা প্রেরণা দিবে সবসময়। আমি কৃতজ্ঞতা জানাই স্নেহের ছোট ভাই রাহাতকে যার সুন্দর নেতৃত্বে দারুন একটা প্রদশর্নী আমি উপভোগ করেছি। খুব ভালো লেগেছে যারা দারুন ছবির জন্যে ক্রেষ্ট পেয়েছেন তাদেরকে অভিনন্দন। যারা পান নি তাদেরকেও অভিনন্দন কারন তাদের ছবি প্রদশর্নীতে স্থান পেয়েছে। আমার খুব ভালো লেগেছে আমি অনেক ফটোগ্রাফারকে খুব কাছের থেকে ফটোগ্রাফির বর্ণমালার শুরু দেখেছি। তারা দিনের পর দিন ফটোগ্রাফিকে ভালোবেসে চর্চা করে নিজেকে যোগ্য করে তুলেছে এবং তাদের ছবি আজ বিভিন্ন প্রদশর্নীতে স্থান পাচ্ছে, তাদের ভিতর তামিম, ফায়েক, ফাহমিদ, সুষম, স্বপ্নীল, মুশফিক এরকম অনেকগুলো নাম। ভবিষ্যতে আরো এরকম অনেকের নাম দেখতে পাবো। শুভ কামনা রইল নতুনদের জন্যে। একদিন আমরা সবাই মিলে আমাদের ছবি দিয়ে সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিব আর সুদৃঢ় কন্ঠে বলব, “আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি”।